নীতিমালা

বিদ্যালয় পরিচালনা নীতিমালা :

বিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিচালনা কমিটি বিদ্যমান। প্রতি দুই বৎসর পরপর বেসরকারী বিদ্যালয়ের নিমিত্ত শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হয়। প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি সর্বময় কর্মকর্তা । তবে সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রয়োজনবোধে প্রধান শিক্ষক সাহেব কে প্রশাসনিক কাজে সহযোগীতা করেন। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মুক্ত প্রশাসনিক হেড বলেই যা ইচ্ছে তাই করেন না। তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বিদ্যমান। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে ও সদস্যের নিরক্ষণ কমিটি আছে। তাহারা দুই মাস পর পর আয় ব্যয় পর্যবেক্ষণ করেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কোন কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে কমিটির সদস্য শিক্ষক সমন্বয়ে তিন/পাঁচ সদস্যের কমিটির মাধ্যমে কর্ম সম্পাদন করা হয়। বিদ্যালয়ের সহশিক্ষা বিদ্যমান। তাই ছাত্রীদের যেন কেউ উত্যক্ত করতে না পারে সেজন্য পৃথক কমিটি আছে। ‘‘শিক্ষক, টিচার্স কাউন্সিল’’ নামে একটি সংগঠন আছে। বিদ্যালয়ে অভিভাবক ও শিক্ষক সমন্বয়ে প্যারেন্ট টিচার্স এসোসিয়েশন বিদ্যমান।প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষকর্মচারী গণ নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত আগমন ও প্রত্যাগমন কেহ অনুপস্থিত থাকেন না। ছাত্র/ছাত্রীদের ইউনিফরমের ব্যবস্থা আছে। নিয়মিত এ্যাসেমব্লী  করানো হয়। ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়। অনুপস্থিত ছাত্রছাত্রীর জরিমানা করা হয়।বৎসরে দুইবার পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাছাড়া সাপ্তাহিক মাসিক টেস্ট পরীক্ষার বিধান আছে। বিজ্ঞান শিক্ষকগণ বিজ্ঞানাগারে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করেন। ফলে ব্যবহারিক বিষয়ে ছাত্রছাত্রীরা ভালোভাবে জ্ঞান লাভ করার সুযোগ পায়। এক কথায় বিদ্যালয়টি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে।

ছাত্র-ছাত্রীদের অবশ্য পালনিয় ।
১। সর্ব শক্তিমান আল্লাহর নাম স্মরণ করে কাজ আরম্ভ করবে।
২। মাতা-পিতা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ও বড়দের শ্রদ্ধা ও সালাম করবে।
৩। মাতৃভূমিকে ভালবাসবে এবং মঙ্গল সাধনের জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।
৪। সদা সত্য কথা বলবে; গুরুতর অপরাধ করলেও মিথ্যা বলবে না।
৫। সকল বিষয়ে লোভ সংবরণ করে চলব। অধ্যাবসায়ী ও পরিশ্রমী হবে।
৭। বিদ্যালয়ে ক্লাস বসার ১৫ মিনিট পূর্বে অবশ্যই সমাবেশে উপস্থিত থাকবে।
ক্লাস চলাকালীন অযথা বারান্দায় ঘোরাফেরা করবে না। ছুটির পর বিদ্যালয়ে
হৈ-হুল্লা না করে ধিরে ও শান্তভাবে বিদ্যালয় ত্যাগ করবে।
৮। অবশ্যই বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোশাক পরে শ্রেণি কক্ষে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রিকে প্রবেশ করতে হবে।
৯। শ্রেণী পাঠদান চলাকালীন বিদ্যালয়ের মেইন গেইট বন্ধ থাকবে এবং বিনা অনুমতিতে কোন ছাত্র-ছাত্রী
ছুতির পূর্বে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে পারবে না ।
১০। প্রতিদিনের সমাবেশে যোগ দিবে। জাতীয় সংগীত ও কোরআন তেলাওয়াতে অংশগ্রহণ করবে।
প্রত্যেকের সাথে সদ্ভাভ বজায় রেখে চলবে।
১১। বড়দের সন্মান করবে এবং ছোটদের স্নেহ করবে।
১২। দিনের পাঠ দিনে শিখবে এবং বাড়ির কাজ নিয়মিত সম্পন্ন করবে ও প্রয়োজনীয় বই, কলম খাতা নিয়ে বিদ্যালয়ে আসবে।
১৩। কেবলমাত্র নিদষ্ট অভিভাবক ছাড়া অন্য কারো দরখাস্ত গ্রহনযোগ্য নয়।
১৪। চলতি মাসের বেতন নির্ধারিত তারিখে বিনা জরিমানা প্রদান করা যাবে।

নোটিশ বোর্ড

আমাদের তথ্য

শিক্ষায়তনিক

প্রাতিষ্ঠানিক

ভর্তি

অনলাইন লাইব্রেরী

ডাউনলোড সেন্টার

 
Flag Counter